ওয়েব ডেস্ক: বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে ওষুধের লাগামছাড়া দাম নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট। ডিলারের কাছ থেকে কেনা দামের তুলনায় বহু গুণ বেশি দামে জীবনদায়ী ওষুধ বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, হাসপাতাল অন্য উপায়ে চলতে পারে, এই ডাকাতির মাধ্যমে নয়।
মঙ্গলবার বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেখানে উঠে আসে এক ওষুধ ব্যবসায়ীর স্ত্রীর ঘটনা। তিনি একটি নামী বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। একটি ইনজেকশনের দাম ধরা হয় ১.৩০ লক্ষ টাকা, অথচ তার ডিলার মূল্য মাত্র ১১ হাজার। ওই ব্যবসায়ী বাইরে থেকে ওষুধ আনতে চাইলেও হাসপাতাল তাতে বাধা দেয়।
আরও পড়ুন:
দীপাবলির মুখে বাড়ছে DA, সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা! কত বাড়বে বেতন?
আদালত কেন্দ্রকে প্রশ্ন করে, এমন স্বেচ্ছাচারিতা কি মেনে নেওয়া যায়? এই টাকা কোথায় যাচ্ছে? ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি বা এনপিপিএ-র ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। আদালতের মতে, প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয়। কেন্দ্রের নিজের হলফনামাতেই স্বীকার করা হয়েছে, ক্যানসারের ওষুধে ১৭০ থেকে ৭০০ শতাংশ এবং অন্যান্য সামগ্রীতে ১০০ থেকে ১০০০ শতাংশ পর্যন্ত লাভ হচ্ছে। ১১-১৫ টাকার স্যালাইনের জন্য নেওয়া হচ্ছে ২৫০ টাকা। ৫০০০ টাকার কার্ডিয়াক স্টেন্টের দাম নেওয়া হচ্ছে ২৫ হাজারের বেশি।
হাসপাতালের আইনজীবী মুকুল রোহতগি বলেন, ওষুধের গুণমান ধরে রাখতেই এই ব্যবস্থা। আদালত সেই যুক্তি মানেনি। কেন্দ্রের বক্তব্য, একটি সীমার বাইরে দাম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। পালটা আদালত জানায়, ডিপিসিও-র আওতাভুক্ত ওষুধ রোগীর কাছে না পৌঁছলে তা সহজলভ্য করার দায়িত্ব সরকারের। মামলার রায় আপাতত সংরক্ষিত।




