ওয়েব ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, দুর্গাপুজোর পাস দুর্নীতি মামলায় ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের আর্থিক লেনদেনের তদন্তও আরও জোরদার করেছে পুলিশ। তাঁর কসবার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। উদ্ধার হওয়া নথির মধ্যে একাধিক সম্পত্তির দলিলও রয়েছে বলে আদালতে জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবী।
তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের কয়েকজন মহিলা কর্মী ব্রাত্য বসু ও ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে জাতীয় মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগ, চাকরি থেকে ছাঁটাই এবং বদলির ভয় দেখিয়ে তাঁদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হত। যৌন সুবিধা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা। দুই প্রাক্তন মন্ত্রীর পাশাপাশি দফতরের কয়েকজন আধিকারিকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্ত, এফআইআর দায়ের এবং অভিযোগকারীদের নিরাপত্তার দাবি উঠেছে। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।
এদিকে, ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে পুজোর প্রিভিউ শোয়ের পাস বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে তাঁর সম্পত্তি ও আয়ের উৎস খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, তাঁর বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ নগদ জমা পড়েছিল। একাধিক অ্যাকাউন্টে লেনদেনের সূত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শনিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হলে ইন্দ্রনীলকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়া ১৩টি নথি যাচাইয়ের পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন তদন্তকারীরা।




