ওয়েব ডেস্কঃ ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থা জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তী সময়ে অনুতাপ করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। শুধু তাই নয়, সেই সময়ের বাড়াবাড়ির জন্য প্রকাশ্যেই দুঃখপ্রকাশ ও ক্ষমা চেয়েছিলেন তিনি। এমনই দাবি করলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। জরুরি অবস্থা জারির প্রায় ৪৯ বছর পর সেই বিতর্কিত অধ্যায় নিয়ে তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সম্প্রতি ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য হিন্দু’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমার্জেন্সি নিয়ে নিজের মূল্যায়ন জানিয়েছেন সোনিয়া। আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে তাঁর স্মৃতিকথা ‘বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ’। তার আগে এই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, জরুরি অবস্থার সময়ে গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব হয়েছিল এবং হেবিয়াস কর্পাসের অধিকারও স্থগিত করা হয়েছিল। তবে তাঁর বক্তব্য, সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
ইমার্জেন্সির জন্য শুধু সঞ্জয় গান্ধীকে দায়ি করার প্রবণতারও বিরোধিতা করেছেন সোনিয়া। তাঁর দাবি, ইন্দিরার উপর দলের কয়েক জন প্রবীণ নেতার যথেষ্ট চাপ ছিল। রাজীব গান্ধী অবশ্য ভিন্ন মত পোষণ করতেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও প্রতিক্রিয়াও তিনি মায়ের কাছে পৌঁছে দিতেন।
সোনিয়ার ব্যাখ্যা, সেই সময়ে হিংসাত্মক বিক্ষোভ, সরকারি দফতরে আগুন এবং প্রশাসনিক অস্থিরতার মধ্যে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছিলেন ইন্দিরা। তবে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ১৯৭৭ সালের মার্চে নির্বাচন ঘোষণা করেন তিনি।




