নয়াদিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বাতিলের দাবিতে সরব ইন্ডি-জোট থেকে ককরোচরা। রবিবার, ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছে বিজেপি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। সেই কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছে সিজেপি। বিরোধীদের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রবিবার ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে রাজধানী। পুলিশ রামলীলা ময়দানে কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছে। রামলীলা ময়দান পর্যন্ত যে মিছিলের ডাক দিয়েছেন, আনুষ্ঠানিক ভাবে তার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে খবর।
দিল্লি পুলিশ এই সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে। সমাবেশ বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে এবং কোনও রাত্রিবাসের অনুমতি নেই। তবে কনট প্লেস-মিন্টো রোডের সংযোগস্থল থেকে রামলীলা ময়দান পর্যন্ত যে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল, তার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পুলিশ দেয়নি। রামলীলা ময়দান পর্যন্ত মিছিলে সাধারণ মানুষকে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন রাহুল। রবিবার দুপুরে কনট প্লেস-মিন্টো রোড থেকে ওই মিছিল শুরু হবে। পুলিশ সূত্রে দাবি, এমন কোনও মিছিলের অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি, এই ধরনের মিছিলের পরিকল্পনা আছে বলে পুলিশকে জানায়নি বিরোধীরা।তবে কি রবিবার রামলীলা ময়দানে পৌঁছোনোর আগেই রাহুলদের আটকে দেওয়া হবে? পুলিশের তরফে তা নিয়ে এখনই মুখ খোলা হচ্ছে না।
আরও পড়ুন
একই পতাকার নীচে দাঁড়িয়েও সুর আলাদা, মমতার অন্দরমহলে জমছে নতুন অস্বস্তি
শুধুমাত্র দলীয় কর্মী বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যেই এই লড়াইকে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না রাহুল। দেশের তরুণ ও ছাত্র সমাজকে এই লড়াইয়ের সামনের সারিতে দেখতে চেয়ে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী আবেদন জানান। রবিবার ‘চলো দিল্লি’ অভিযানের ডাক দিয়েছেন রাহুল। বিরোধী জোটের অন্য শরিকদলগুলির প্রতিনিধিরাও জমায়েতে যোগ দেবেন। বুধবার সিজেপি প্রধান অভিজীত দিপকে সমাজমাধ্যমে জানান, জ্ঞানেশের অপসারণের দাবি আরও জোরালো করতে এবং গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে ‘ইন্ডিয়া’র কর্মসূচিকে তারা সমর্থন জানাচ্ছেন।




