HomeTop Newsসীমা খান্নাকে ঘিরে বিতর্কে নজরদারি ফিরল নির্বাচন কমিশনে

সীমা খান্নাকে ঘিরে বিতর্কে নজরদারি ফিরল নির্বাচন কমিশনে

সীমা খান্নার একচ্ছত্র ক্ষমতায় রাশ টানল নির্বাচন কমিশন

ওয়েব ডেস্ক : নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ক্ষমতা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিতর্কের আবহে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নার কাজের উপর ফের ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার স্তরের নজরদারি আনুষ্ঠানিক ভাবে বহাল করা হল। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, এখন থেকে আইটি ও তথ্য-যোগাযোগ প্রযুক্তি সংক্রান্ত সমস্ত ফাইল সিনিয়র ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার পবনকুমার শর্মার মাধ্যমে পেশ করতে হবে সীমাকে। বুধবার জারি হওয়া এই নির্দেশিকা বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে আসে।

এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে গত ২৮ জুলাইয়ের একটি নির্দেশিকা। ওই নির্দেশে তৎকালীন ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার সঞ্জয় কুমারের কাছ থেকে আইটি ও আইসিটি বিভাগের দায়িত্ব সরিয়ে সীমা খান্নাকে সরাসরি কমিশনের কাছে ফাইল পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবিন্দর সিংহ সাঁধু এবং বিবেক যোশী। ২৯ জুলাই তাঁরা পৃথক ভাবে ক্যাবিনেট সচিব টি ভি সোমনাথনকে চিঠি লিখে অভিযোগ করেন, কমিশনের যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই দায়িত্ব বণ্টনে পরিবর্তন করা হয়েছে।

সীমা খান্নাকে ঘিরে বিতর্কের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ভোটার তালিকার ডিজিটাল পরিকাঠামো। বিশেষত বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ভূমিকা এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, রাজ্যস্তরের নির্বাচনী আধিকারিকদের ক্ষমতা খর্ব করে গোটা প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ দিল্লিকেন্দ্রিক করা হয়েছে।

তৃণমূলকে দূরে সরিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার দরজা খোলা রাখছে আলিমুদ্দিন

তবে কমিশনের বক্তব্য, ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশ কার্যকরই হয়নি। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির পর ৩০ জুলাইয়ের যৌথ নির্দেশে সেটি স্থগিত রাখা হয়। ফলে নজরদারি কখনও প্রত্যাহার করা হয়নি বলেই দাবি কমিশনের।

নতুন নির্দেশে কমিশনের অভ্যন্তরীণ দায়িত্ব বণ্টন আরও স্পষ্ট হল। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি এবং অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যও নতুন করে আলোচনায় উঠে এল।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments