ওয়েব ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাই। এই দাবি নিয়ে দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিশেষ সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। কংগ্রেস সহ সমস্ত বিরোধী দলগুলোর এদিন সমাবেশে হাজির থাকার কথা। পাশাপাশি এদিনেই বিরোধীদের পাল্টা চাপে ফেলতে দিল্লির রাজপথে নামছে গেরুয়া শিবির। ১৯৮৪ সালে শিখবিরোধী অশান্তি নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করতে চাইছে তাঁরা।
সমাবেশ পাল্টা আক্রমণের জেরে উত্তপ্ত রাজধানী। একদিকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি, অন্যদিকে শিখবিরোধী অশান্তির প্রতিবাদ। সবমিলিয়ে দিল্লির রাজপথ উত্তপ্ত। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পরিমান নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১৯৮৪ সালে ৩১ অক্টোবর। ভারতের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য। ওই দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রয়াত হয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তাঁর মৃত্যুর ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১ নভেম্বর থেকে ভারতের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে দিল্লিতে শিখ সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে ব্যাপক সহিংসতা ও গণহত্যা শুরু হয়। এইজন্য এদিনটিকে বেছে নিয়েছে পদ্ম শিবির।
তাঁদের দাবি, শিখ বিরোধী অশান্তির বর্ষপূর্তির দিনেই বিরোধীরা সমাবেশের আয়োজন করেছে। ওই অশান্তি পেড়িয়েছে ৪২ বছর। ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকতেই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রবিবার রাজধানীর হরিনগর বাস স্ট্যান্ড থেকে তিলকনগর মেট্রো স্টেশন চত্বর পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। গণতন্ত্রের নামে দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেওয়া ষড়যন্ত্র চলছে। বিরোধীদের সমাবেশকে নিশানা করে এই কথাই বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জেপি নাড্ডা। এই সমাবেশকে নাটক বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। বলেছেন, মানুষ বিষয়গুলো রাহুল গান্ধীর নাম করে তিনি বলেন, প্রথম ধাপ হলো মিথ্যা ও গুজব ছড়ানো; দ্বিতীয় ধাপ হলো রাস্তায় নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা উসকে দেওয়া; তৃতীয় ধাপ হলো দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা; এবং চতুর্থ ধাপ হলো বিদেশি শক্তির ইশারায় একটি নির্বাচিত সরকারের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করা।




