ওয়েব ডেস্ক: রাত পোহালেই কালী আরাধনা। কালীপুজোর আগেই সল্টলেকের একাধিক কালীপুজোয় চরম ব্যস্ততা নজরে এসেছে। সল্টলেকের জিসি ব্লকের শ্যামাপুজো ২৯ বছরে পা দিল। সেই উপলক্ষে ৩০ ফুটের মা কালীর মূর্তির উন্মোচন করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধান নগরের বিধায়ক ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক পীযূষ কানোডিয়া, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের সেক্রেটারি কুশল চৌধুরী, কনো ইন্ডিয়া গ্রুপের কর্ণধার সত্যম রায়চৌধুরী, বিধান নগর পুলিশের পুলিশ কমিশনার, সিটি কেবিল এর ডিরেক্টর তিনকরি দত্ত এবং পুজোর মূল উদ্যোক্তা সুজয় সাহা।
উদ্বোধনে এসে শুভেন্দু অধিকারী জানান কোন সরকার সরাসরি মন্দির করতে পারে না। বিগত সরকার শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির তৈরি করবে বলে ঠিক করেছিল। বর্তমান রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওইটা আয়ুষ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। নিউটাউনে দূর্গা অঙ্গনের পরিবর্তে তিরুপতি বালাজির আদলে মন্দির তৈরি করা হবে। এই বিষয়ে আম্বানিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আম্বানিরা লোক দেখে গিয়েছে।
সল্টলেকের এসি ব্লক যুবক সংঘের কালীপুজো এবছর ৪৮ তম বছরে পা দিল। মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তম কুমারের অভিনীত বহু সিনেমার পোস্টার দিয়ে তৈরি হয়েছে মন্ডপ। তিন দিন ধরে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই পুজোর উদ্বোধন করেন বিধান নগরের বিধায়ক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ব্লকের আবাসিকরা।
সল্টলেকের মৈত্রী সংঘের কালী পুজো ৩৯ বছরে পা দিল। চন্দননগরের ব্যাং স্ট্যান্ড এর আদলে তৈরি হয়েছে মন্ডপ। প্রতিমা নির্মাণ করেছেন প্রদীপ রুদ্র পাল। প্রত্যেকদিন কোনও না কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে, পুজোর উদ্যোক্তারা চেষ্টা করছেন বাংলা সংস্কৃতিকে সাধারণ মানুষের সামনে উপস্থাপন করা। এবছর পূজো কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে আতশবাজি প্রদর্শনী যতটা কম করা যায়। এই পুজো তে দুটি মূল ব্লক পড়ে bf & cf এই প্রতিটি ব্লকের প্রত্যেকটি বাড়িতে প্রসাদ পৌঁছে দেয়া হবে এবং ৯ অক্টোবর পূজা প্রাঙ্গণ থেকে প্রসাদ বিতরণ করা হবে।




