ওয়েব ডেস্কঃ কলকাতা পুরসভার দিনক্ষণ আপাতত ঘোষণা করা যাবে না। নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারির উপরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ও বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, নতুন করে ওয়ার্ড বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরসভার নির্বাচন নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না। রাজ্য নির্বাচন কোনও রকম নির্বাচন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল উচ্চ আদালত। ফলে কলকাতা পুরসভা নির্বাচন পিছিয়ে যেতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ছিল ১৪৪টি, তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ২০৯টি। গোড়া থেকেই প্রক্রিয়া গত ত্রুটি নিয়ে সরব হয়েছিল বাম, কংগ্রেস, কালীঘাট তৃণমূল সহ দলগুলি। পরে হাইকোর্টে এ নিয়ে মামলা করেছিলেন কসবার সিপিএম নেত্রী তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর দীপু দাস। এমনিতেই জনগণনার কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে। সেই সূত্রে কলকাতার ভোটও পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। নির্বাচনী আধিকারীক দপ্তর সূত্রে খবর, সংশোধিত ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হবে আগামী বছর ১৬ জানুয়ারি। সূত্রের খবর, ডিলিমিটেশনের নতুন পোলিং বুথও তৈরি করা চলছে।তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন ভোটার তালিকায় ভোট করতে হলে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে তা করা যাবে না।
তাই নভেম্বরের পর ডিসেম্বর মাসে কলকাতা পুরসভা ভোটের যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল তা কার্যত থমকে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে। আদালতের রায় মনে নিলেও এতে নাগরিক সমস্যা বাড়বে বলেই মনে করছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।




