HomeBig Breakingদুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ

পুজো গাইড ম্যাপ প্রকাশ কলকাতা পুলিশের

কলকাতা: আজ মঙ্গলবার, তৃতীয়া। শহরের বেশ কয়েকটি বড় বড় পুজোর উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে। দর্শনার্থীরাও ভিড় জমাতে শুরু করেছেন মণ্ডপে মণ্ডপে। প্যান্ডেল উদ্বোধনের পর থেকেই প্রতিমা দর্শ শুরু হয়ে গিয়েছে, তার কারণ ধীরে ধীরে ভিড় বাড়বে। তাই অনেকেই ঠাকুর দেখতে নেমে পড়েছেন। পুজোর সময় সাধারণ মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে যাতে কোনও সমস্যায় না পড়েন, সেইদিকে নজর রয়েছে পুলিশ-প্রশাসনের।

দুর্গাপুজোয় দর্শনার্থীদের সুবিধা এবং শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ প্রস্তুতি কলকাতা পুলিশের। পুজো উপলক্ষে প্রকাশিত হল কলকাতা পুলিশের গাইড ম্যাপ। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। শহরের ২৪৭টি বড় পুজোর বিস্তারিত তথ্য থাকছে এই গাইড ম্যাপে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও পাওয়া যাবে এই গাইড ম্যাপ। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে রাখা হচ্ছে একাধিক হেল্পলাইন নম্বর। পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে উদ্বোধন করা হয়েছে চাইল্ড আইডেন্টিটি ব্যাজেরও।

পুজোর দিনগুলিতে ভিড়ের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এজন্য পুলিশি ব্যবস্থাপনায় থাকছে অতিরিক্ত বাহিনী। পাশাপাশি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবার ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। যানজট মোকাবিলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে মা ফ্লাইওভার এবং নিউটাউনের সঙ্গে সংযোগকারী রাস্তাগুলির উপর। ত তিন বছরে প্রায় ছ’লক্ষ নতুন গাড়ি রাস্তায় নেমেছে। ফলে পুজোর সময় শহরের যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে পুলিশের কাছে। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনার কারণে যান চলাচল যাতে দীর্ঘক্ষণ আটকে না থাকে, সে জন্য রাস্তায় বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সুবিধার্থে ডিভাইডারের ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রতি ৫০০ মিটার অন্তর ক্রেন রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যানজট ও দুর্ঘটনা পরিস্থিতির উপর সর্বক্ষণ নজর রাখা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। পুজোর সময় অতিরিক্ত ভিড় ও যানবাহনের চাপ সামলাতে রাজ্য সরকারের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। কলকাতা পুলিশের তরফে ১৪টি অ্যাম্বুল্যান্স রাখার কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ও পরিষেবা পরিচালনার জন্য প্রায় ১২ হাজার পুলিশকর্মী এবং প্রায় ২১ হাজার হোমগার্ড মোতায়েনের পরিকল্পনার কথা উঠে এসেছে।

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -spot_img

Most Popular

Recent Comments