ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্দির ও তীর্থস্থানগুলিকে এক সুতোয় বাঁধতে ১,০০০ কোটি টাকার তীর্থক্ষেত্র সার্কিট গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ধর্মীয় পর্যটনকে ঘিরে বড়সড় উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার ধর্মীয় ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক পর্যটনের মানচিত্রে তুলে ধরাই সরকারের লক্ষ্য। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজনৈতিক বক্তব্যে সুর চড়ান বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।
সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বসম্পন্ন মন্দিরগুলির পরিকাঠামোগত উন্নয়ন। প্রস্তাবিত তীর্থক্ষেত্র সার্কিটে মুর্শিদাবাদের কিরীটেশ্বরী মন্দির, কোচবিহারের মদনমোহন মন্দির, জলপাইগুড়ির জল্পেশ মন্দির এবং বীরভূমের তারাপীঠকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণেশ্বর, কালীঘাট ও তারকেশ্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলিকেও পর্যটন পরিকাঠামোর বৃহত্তর পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শরদকে বিশ্রামের পরামর্শ মোদির, সুপ্রিয়াকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা
শুধু মন্দির সংস্কার নয়, তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত, পরিষেবা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর দিকেও নজর সরকারের। পর্যটকের সংখ্যা বাড়লে হোটেল, পরিবহণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং স্থানীয় কর্মসংস্থানেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, আগামী দু’বছরের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটনকে অর্থনৈতিক বিকাশের হাতিয়ার করে তুলতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।




