ওয়েব ডেস্ক: দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশে অনুপস্থিত থাকায় যুব কংগ্রেসের পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। ১ নভেম্বরের ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য জাতীয়, রাজ্য ও জেলা স্তরের সমস্ত পদাধিকারীকে নির্দেশ দিয়েছিল যুব কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে ৮০-র বেশি নেতাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংখ্যাটি শেষ পর্যন্ত ৫০০ ছুঁতে পারে বলে দলীয় সূত্রের খবর।
মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ ও হরিয়ানায় ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। পাশাপাশি গুজরাত, ঝাড়খণ্ড, তেলঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গেও অনুপস্থিত পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে খবর। সাতটি রাজ্য ও উত্তরপ্রদেশের কেন্দ্রীয় ইউনিট মিলিয়ে মোট ২১৫ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ২৬ জনও রয়েছেন।
হাজিরা যাচাইয়ের জন্য অভিনব পদ্ধতিও নিয়েছিল যুব কংগ্রেস। দিল্লির মিন্টো রোডে সমাবেশের জমায়েতস্থলে বসানো হয়েছিল বারকোড স্ক্যানার। ‘উইথ আইওয়াইসি’ অ্যাপের মাধ্যমে পদাধিকারী ও কর্মীদের উপস্থিতি নথিভুক্ত করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। যুব কংগ্রেসের দাবি, প্রায় ১৫ হাজার কর্মী জমায়েত হলেও অ্যাপে হাজিরা নথিভুক্ত করেছেন মাত্র ২,৮৩১ জন। যদিও কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগের কারণে অনেকের নাম নথিভুক্ত হয়নি।যুব কংগ্রেস সভাপতি উদয়ভানু চিবের বক্তব্য, সাংগঠনিক নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। যাঁরা দায়িত্ব পালন করবেন, তাঁদেরই সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হবে। ফলে দিল্লির সমাবেশ ঘিরে বিরোধী ঐক্যের প্রদর্শনের পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্দরে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।




