ওয়েব ডেস্ক : তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া ২০ সাংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমশ বাড়ছে। দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের অভিযোগের জবাব দেওয়ার শেষ দিনেও লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে ফের সময় চাইলেন এনসিপিআই সাংসদরা। মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ছিল জবাব জমা দেওয়ার নির্ধারিত শেষ দিন। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার দিনেই ই-মেল করে আরও তিন সপ্তাহ সময় চেয়ে আবেদন করেছেন তাঁরা। ফলে এই নিয়ে পঞ্চমবার সময় বাড়ানোর আবেদন করল এনসিপিআই শিবির।
তবে এই সময় চাওয়ার মধ্যেই সামনে এসেছে দলের অন্দরের সম্ভাব্য বিভাজনের ইঙ্গিত। এনসিপিআইয়ের ২০ সাংসদের মধ্যে তিনজন দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে না জানিয়েই আগেভাগে স্পিকারকে লিখিত জবাব পাঠিয়েছেন। বাকি ১৭ জন এমন পদক্ষেপের বিষয়ে অবগত ছিলেন না বলেই দাবি। ফলে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সাংসদদের একাংশের সমন্বয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ২০ সাংসদের পদ খারিজের দাবিতে স্পিকারের কাছে পৃথক আবেদন জমা দিয়েছিলেন। তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে অন্য দলে যোগ দেওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। পাল্টা এনসিপিআই সাংসদদের যুক্তি, তাঁদের দলবদল বৈধ রাজনৈতিক সংযুক্তি, তাই দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর হওয়ার কথা নয়।
বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টেও বিচারাধীন। শীর্ষ আদালত স্পিকার এবং সংশ্লিষ্ট সাংসদদের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। স্পিকার অবশ্য জানিয়েছেন, সব পক্ষের বক্তব্য পাওয়ার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু বারবার সময় চাওয়া এবং নেতৃত্বকে পাশ কাটিয়ে পৃথকভাবে জবাব পাঠানোর ঘটনায় এনসিপিআইয়ের রাজনৈতিক ঐক্য নিয়েই নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।




