ওয়েব ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রথমবার বনগাঁর ঠাকুর বাড়িতে পা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। হেলিকপ্টারে করে গাইঘাটার চাঁদপাড়া এলাকার একটি হেলিপ্যাডে নামেন। তাঁকে এদিন স্বাগত জানান, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শান্তুনুর বাবা মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর-সহ মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রতিনিধিরা। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল ঠাকুরবাড়িতে।
এদিন প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে যান, পরে গুরুচাঁদ মন্দিরে পুজো দেন। সেখান থেকে নাটমন্দিরে যাবেন আন্তর্জাতিক মতুয়া গোসাঁই সম্মেলনের মঞ্চে। তারপরেই মধ্যাহ্নভোজ সারতে যান ঠাকুরবাড়িতে। নিজের হাতে রান্না সেরেছেন শান্তনু ঘরনি তথা বাগদার বিধায়ক সোমা ঠাকুর। প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী আসছেন। তাঁর খাওয়ার ব্যবস্থা তো করতেই হবে। তাই সকাল থেকে রান্নাঘরে ছিল চরম ব্যস্ততা। নিজের হাতে রান্নার সমস্ত ব্যবস্থা করেছেন শান্তনুপত্নী।
মুখ্যমন্ত্রীর মেনুতে ছিল বিভিন্ন ধরনের ভাজা, মাছ-মাংসের পদ। বেগুন ভাজা, উচ্ছে ভাজা, সবজি ডাল, চিংড়ি পিঠে, চিংড়ির মালাইকারি, পমফ্রেট মাছ, ইলিশ মাছ ভাজা, ইলিশ ভাপা, মুরগির মাংস, খাসির মাংস, চাটনি। তিনি জানিয়েছেন, রান্না করতে ভালোবাসেন। রোজ পরিবারের সবার জন্য রান্না করেন। মুখ্যমন্ত্রীকে রান্না করে খাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি।




