ওয়েব ডেস্ক: কলকাতা পুরভোটের আগে তৃণমূলের নাম ও প্রতীকের অধিকার নিয়ে বিবাদে এ বার একই শুনানিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবিরকে ডাকল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৩০ অক্টোবর বিকেল সাড়ে তিনটেয় দিল্লির নির্বাচন সদনে শুনানি হবে। তার আগে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে দুই পক্ষকে নিজেদের দাবির সমর্থনে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।
দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ব্যবহারে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ম। বর্তমানে মমতা-তৃণমূল ও গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস নামে পরিচিত দুই শিবির পৃথক প্রতীক ব্যবহার করছে। আগে আলাদা শুনানির জন্য নোটিস দেওয়া হলেও এ বার একই নোটিসে দুই পক্ষকে ডাকা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত সময়সীমা মেনেই এই পদক্ষেপ বলে কমিশন সূত্রে খবর।
এদিকে, হলফনামা তৈরির জন্য গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে পুলিশ প্রশাসন সাহায্য করছে বলে অভিযোগ তুলেছে মমতা-তৃণমূল। দলের যুগ্ম সম্পাদক দোলা সেন রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের দুই প্রধানকে চিঠি দিয়ে দাবি করেছেন, ঋতব্রত শিবিরের প্রয়োজনীয় ১১০০টি হলফনামার স্বাক্ষর সংগ্রহে থানার আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। অভিযোগের জবাবে ঋতব্রত বলেছেন, যাঁরা এমন দাবি করছেন, তাঁদেরই তা প্রমাণ করতে হবে। প্রয়োজনে আইনের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি পুলিশি ভূমিকা ঘিরেও দুই শিবিরের সংঘাত অব্যাহত। কমিশনের শুনানিতে এই বিবাদের নিষ্পত্তির পথে কোনও অগ্রগতি হয় কি না, এখন সেটাই দেখার।




